মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

১। হাওর অঞ্চলে মৎস্য চাষ ও ব্যাবস্থাপনা কর্মসূচীঃ

 

প্রশিক্ষন কার্যক্রমঃ-এই কর্মসূচীর আওতায় এই পর্যন্ত প্রায় ২০০০ জন পুরুষ  ও মহিলাকে মৎস্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। যার ফলে অনেকে মৎস্য চাষ করে আত্নকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।  

 

# বিল নার্সারী স্থাপন ও রক্ষনাবেক্ষণ  :  এই কর্মসূচীর আওতায় নির্বাচিত প্রায় ৯টি বিলে নার্সারী স্থাপনের মাধ্যমে রেনু পোনা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে । প্রায় ৩০-৪০ লক্ষ পোনা মাছ উৎপাদিত হয়েছে। 

পোনা মাছ অবমুক্তকরণ :  উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তকরনের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে । 

 

অভয়াশ্রম স্থাপন :  অভয়াশ্রম (১টি) স্থাপন করা হয়েছে। যার ফলে বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির মাছকে রক্ষা করার পশাপাশি মাছের আবাস্থল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে । 

 

* মৎস্য আইন বাস্তবায়ন :  মৎস্য আইন বাস্তবায়ন তথা মোবাইল কোর্ট, অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ জালের নিয়ন্ত্রণ এবং নির্বিচারে পোনা মাছ নিধন রোধ হয়েছে।

 

২। জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয় পত্র প্রদান প্রকল্প : 

এই প্রকল্পের আওতায় ইতমধ্যে ২৭৫৮ জনের জেলেদেও তালিকা প্রনয়ন করা হয়েছে।  জেলেদের ছবি সহ তালিকা প্রনয়ন করা হবে। যার আওতায় ভবিষ্যতে জেলেদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রনয়ন এবং প্রকৃত জেলে সনাক্তকরণ সম্ভব হবে। 

 

৩। চিহ্নিত অবক্ষয়িত জলাশয় উন্নয়ন ও ব্যাবস্থাপনা এবং দেশীয় প্রজাতির ছোট মৎস্য সংরক্ষণ প্রকল্প :এই প্রকল্পের ফলে উক্ত উপজেলায় ৫টি অবক্ষয়িত জলাশয়ে পুন: খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।   ফলে জলাশয় সমূহে নাব্যতা বৃদ্ধি সহ মাছের উৎপাদন অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে । পোনা মাছ অবমুক্ত করণের ফলে দেশিয় মাছের প্রাচুর্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

৪। বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্প এলাকায় এবং অন্যান্য জলাশয়ে সমন্বিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ  উন্নয়ন প্রকল্প : 

উক্ত প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত জলাশয়সূমহে খনন কার্য পরিচালিত হচ্ছে। যার ফলে জলাশয় সমূহে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রম বেগবান হয়েছে।  জলাশয় তীরবর্তী জনসাধারণ এই জলাশয় থেকে সুবিধা ভোগ করছে।

 

৫। মৎস্য সংরক্ষণ ফরমালিনের ব্যাবহার নিয়ন্ত্রণ ও গণসচেতনতা বৃদ্ধি প্রকল্প : 

এই প্রকল্পের আওতায় মৎস্য সংরক্ষণে ফরমালিনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। নিয়মিত বাজাওে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মৎস্য খাদ্যে ভেজাল রোধ সম্ভব হয়েছে এবং জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।